সমাজ সেবা অফিস কর্তৃক মানব পাচার রোধে গৃহিত কার্যক্রম
বাংলাদেশে নারী ও শিশু পাচার সবচেয়ে বিপদজনক এবং ঝুকির মধ্যে রয়েছে। বিশেষকরে বাংলাদেশী মেয়েদের কোন ঝুকি ছাড়াই কম খরচে পাচার করা অনেক সহজ। ভাসমান শিশু ও মহিলা, এতিম শিশু, বিধবা বা তালাক প্রাপ্তানারী, শহরের বিভিন্ন বস্তিতে বসবাসকারী নারী ও শিশু, দরিদ্র পরিবারের শিশু ও মহিলা, ভেংগে যাওয়া পরিবারের শিশু, বিভিন্ন কলকার খানায়, গামের্র্ন্টস ও বাসাবাড়িতে কর্মরত শিশু এবং মহিলারা পাচারের শিকার হন। পতিতালয়ে বিক্রির মাধ্যমে দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত করা, রক্ষিতা হতে বাধ্য করা, উটের জকিতে নিয়োজিতকরা, রক্ত, কিডনী, চোখেরকর্ণিয়া, যকৃত, কংকাল দেহ থেকে আলাদা করে বিদেশে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা নারী ও শিশু পাচারের মূল উদ্দেশ্য। সমাজসেবা অধিদফতর মাঠ পর্যায়ে দুস্থ, অসহায় ও গরিব জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণ মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি মানব পাচাররোধে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মানব পাচার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি সমাজ সেবা অধিদফতরের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। বিশেষ করে পাচারের জন্য ঝুকি পূর্ণ অঞ্চল গুলিতে নারী ও শিশু পাচারের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যেসকল অস্বচ্ছল নারী ও শিশুদের পাচারের জন্য সংগ্রহ করা হয় সে সকল অঞ্চলে পাচার কারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টি কাযর্ক্রম চলছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস